নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা জেলা দেবীদ্বার উপজেলা ১০নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খাঁনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুনীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার এক ভয়ংকর অভিযোগগুলো জন গনের মনে ব্যাপক অলোচনার রুপ নিয়েছে।
গনমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপন সূত্র প্রাপ্ত তথ্য অনুয়াযী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমলে কুমিল্লা উওর জেলার সাধারণ সম্পাদক রৌশন আলী মাষ্টার সাহেব সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পি এ দিয়ে ফোন করাইয়ে প্রথম স্থান হন মোঃ মোজাফ্ফ আহামেদ আর দ্বিতীয় স্থান হন আবদুল হাকিম খাঁন দুঃখের বিষয় প্রশাসন চাকুরী করতে হলে প্রধানমন্ত্রীর পি এ বলেছে ঘোষণা হবে আবদুল হাকিম খাঁনের আর দ্বিতীয় বানিয়ে ঘোষণা করা হোক মোঃ মোজাফফর আহমদকে প্রশাসন তাই ঘোষনা করতে বাধ্য হলোা। ৫ বছর পর দ্বিতীয় বারে নির্বাচিত হন মোঃ জসিম উদ্দিন আবদুল হাকিম খাঁন দ্বিতীয় হলো তখন মাননীয় সংসদ সদস্য রাজি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মুন্সী কে,১০ কোটি টাকা দিয়ে প্রশাসন কে হাতে নিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য রাজি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মুন্সী আবদুল হাকিম খাঁন কে,প্রথম স্থান হয়েছেন ঘোষনা করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী আমলেই সাবেক এমপি রাজি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের ক্ষমতার বলে ১০নং দক্ষিণ গুনাইঘর ইউনিয়ন পরিষদ হইতে কোটি কোটি টাকা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এবং অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে,সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খাঁন বর্তমানে নামে বে-নামেকয়েক শত কোটি টাকার মালিক আছে বলে যানা যায়। সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম খাঁন বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক রুপ পালটিয়ে তার সুবিধা মতে রুপ ধারণ করে। এবং অবৈধ অস্ত্রের বয় দেখাইয়া ইউনিয়নের আসা সকল কাজের টাকা কাগজে দেখানো হয়েছে কাজ হয়েছে
বাস্তবে কোন কাজেই না করে পুরো টাকা তুলেই আত্মসাৎ করে ফেলে বলে যানা যায়। তার বিষয়ে কেও অভিযোগ দিলে তাকে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত করে ফাঁসিয়ে দিতেন এমনকি তার হাতে থাকা বৈধ পিস্তল ১টি ছিল। বৈধতা পিস্তল কয়েকটি তার ঘরে এবং তার নিজের গাড়ীতে থাকতেন বলে যানা যায়।
এদিকে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খাঁন দুনীতির অন্যতম স্তর হল টি এ কাবিখার কাজ।কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে কাজ করেছেন। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয় বাস্তবে কোন কাজ না করে সকল বিল তুলে নেওয়ার এক বিশাল অভিযোগ রয়েছে।
সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খান এর বিরুদ্ধে দূর্নীতি প্রচুর অভিযোগ রয়েছে। যাহা নাম প্রকাশ করার অনিচ্ছুক মাশিকাড়া বাজারে এবং স্কুলের পাশে ১৫লাখ টাকার কাজ থেকে এক টাকার কাজ না করে পুরো টাকা তুলেই আত্মসাৎ করে ফেলে।
তার কয়েকটি সিন্ডিকেট ছিল।তার বিষয়ে কোন
অভিযোগ করতে সুনলে ঐ ব্যক্তকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা -মোকদ্দমা ভয় দেখায় এবং কি অবৈধ অস্ত্র মামলা মাধ্যমে চালান করে দি বলে হুমকি-ধুমকি দেওয়ার ও অভিযোগ উঠে আসছে। সাবেক চেয়ারম্যান জন্য ১০ নং গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ের পরিষদের বরাদ্দে টাকা কাজ না করে নিজে আত্মসাধ করেছে বলে যানা যায়।
অনিয়মের বড় নজির হলো তার কাছে আসা বিভিন্ন বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মাসাধ করে ফেলে।কোন প্রতিনিধি যদি তার কাছে কাজের বিষয় বলতেন তিনি কৌশলে ভয়ংকর ভাবে রুপধারণ করতেন।এই বয়ে তার কাছেই একটা কাজের ব্যাপার যেতেন না। কয়েকজন প্রতিনিধি এই ব্যপারে নাম প্রকাশ না করে বলেন
তার সিন্ডিকেট এখন ও আছে ভবিষ্যতে আবার যদি চেয়ারম্যান হয় তাহলে সেই নিজে প্রধানমন্ত্রী দাবি করবে বলে অভিযোগ করে বলে এই দুনীতিবাজ আত্মসাধ কারি দেশ ও জাতীয় শত্রু
গণমাধ্যমকর্মিরা বা, অভিযোগকারীরা দুনীতিবাজ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম খাঁনের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করতে বল্লেই সাবেক সাংসদ সদস্য ভ রাজি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বয় দেখাইয়া সকলে মুখ বন্ধ করে দিতেন বলে যানা যায়।
এব্যপারে মন্তব্য জানতে আবদুল হাকিম চেয়ারম্যানের মোবাইলে ফোন একাদিকবার কল করা হলে ও তিনি তা রিসিভ করেন নাই।
বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্ব

