রিপোর্ট মোঃ কবির হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি
মা -মঞ্জিলে মালিক হাজী মোঃ মুক্তার হোসেন হাউজ নং ৯/৩৬ উত্তর কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২৩৬
ঢাকা সিটির মধ্যে বাড়ি নির্মাণ করলে রাজউকের অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ যায় না। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন যে, মুক্তল হোসেন রাজউকের অনুমোদন ছাড়া কিভাবে অতি দ্রুত বিল্ডিগের কাজ সম্পন্ন করেন। এলাকাবাসী জানাই এই বিল্ডিংটি অতি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় একাধিকবার বলা সত্ত্বেও তিনি কোন আইনের ট্রয়াক্কা না মেনে রাজউকের অনুমতি বিহীন বাড়ি নির্মাণ করে ফেলপ এতে এলাকাবাসী অনেক ভয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। যেই কোন মুহূর্তেই এই বিল্ডিং দসে পড়ে যাওয়া সম্ভাবনা আছ।
বিভিন্ন সূত্র গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারি যে, রাজউকে অনুমোদন ছাড়া ইমারত নির্মাণ করলে বেশিভাগ মারতে দুর্ঘটনা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তার কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে প্লান অনুযায়ী কাজ করা না করে বাড়ির মালিক নিজের মতন করে অনুমোদন ছাড়াই টাকা বাঁচিয়ে বিল্ডিং করে ফেলেন বলে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং গণমাধ্যমের মধ্যে জানা যায় যে, যেই সকল ইমারত রাজউকের অনুমোদন বিহীন করা হয় সকল ইমারতে মালিকগন টাকা বাঁচানোর এক কৌশল এই জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছেন ইমারত গুলো। গণমাধ্যম কর্মীরা একাধিক খবরের কাগজে প্রকাশ প্রকাশ করেন যে, কোন মালিক রাজউকের অনুমোদন বিহীন কোন বাড়ির কাজ নির্মাণাধীন করা যাবে না। সকল দুর্ঘটনা জেনেও রাজউকের অনুমোদন বিহীন ইমারতগুলো নির্মাণ করার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।
এই বিষয়ে বাড়ির মালিক মোক্তার হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে যে, আমার কোন বাড়ির প্লান নেই এবং অনিচ্ছুক নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একজন রাজউকের কর্মকর্তা আমার থেকে দু তিন মাস পর পর টাকা নিয়ে যায়।
বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে

