বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক) এর একটি অফিস থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি গায়েব হওয়া এবং এ ঘটনায় একজন অফিস সহায়ককে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, মিরপুর অফিসের অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেনকে পরিকল্পিতভাবে দায়ী করা হচ্ছে, যদিও প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন হতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি।
🔹 অভিযোগের মূল বিষয়অফিস সহায়ক মো. হাফিজ আল হোসেনের দাবি, একটি নথি গায়েব হওয়ার ঘটনায় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানো হয়েছে।তার অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেট তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
🔹 দুর্নীতির অভিযোগলিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, নথি গায়েবের ঘটনায় অর্থ লেনদেন ও অনিয়মের বিষয় থাকতে পারে।তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
🔹 নথি সংক্রান্ত জটিলতাঅভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মিরপুরের একটি আবাসিক প্লটের মালিকানা ও নামজারি সংক্রান্ত নথি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।বিভিন্ন সময়ে একাধিক তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা নিয়ে ভিন্নমত দেখা যায়।
🔹 অফিস সহায়কের বক্তব্যহাফিজ আল হোসেন অভিযোগ করেন,“আমি বিষয়টি জানার পর থেকেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তৈরি করে বিভাগীয় মামলা দেওয়া হয়েছে।”তিনি আরও দাবি করেন, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে এবং চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা চলছে।
🔹 প্রশাসনের প্রতিক্রিয়াঅভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।তিনি বলেন, এ ঘটনায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং বিষয়টি অন্যদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
🔹 অন্যান্য কর্মকর্তার বক্তব্যসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, তিনি কেবল বিভাগীয় মামলার বিষয়ে অবগত আছেন, পুরো বিষয় সম্পর্কে তার বিস্তারিত জানা নেই।
🔹 চেয়ারম্যানের অবস্থানএ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
🔹 তদন্তের দাবিঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন কঠিন হয়ে পড়ে।

