কুমিল্লা জেলার দেবিদ্দার জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলী অর্জিন চাকমার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুরনীতির অভিযোগ উঠেছে।
দেবিদ্দার উপজেলার মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ৩০ টি ওয়াশব্লকের আজ অসম্পূর্ণ রেখে ঠিকাদারের সঙ্গে বাকবাটোয়ারা নিয়েছেন ওই প্রকৌশলী ১১ বছর ধরে স্থানে থেকে উপজেলা জনসাস্থ্য প্রকৌশল পরিদপ্তরকে তিনি অনিয়ম ও নীতির পাহাড় পরিণাম করেছেন। এদিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবহুল ওয়াশব্লকের (স্বাস্থ্যসম্মত) টয়লেট ও স্যনিটেশন সুবিধা কাজ অসম্পূর্ণ রেখে বরাদ্দের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ২০ সালে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬০টি ওয়াশব্লক ব্নির্মাণের বরাদ্দ আসে
প্রতিটি ওয়াশব্লক নির্মাণের জন্য ১৪-১৫ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করে ঠিকাদার কিছু ওয়াশব্লকের কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই উত্তোলন করে টাকা নেওয়া হয়।
এছাড়া গত ১১বছরে আর্সেনিক টিউবওয়েল গভীরনলকূপসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামমাত্র কাজ দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
সূত্র জানা যায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে দেবিদ্বার উপজেলা দুইটি প্রকল্পের আওতাধীন বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ৬০টি ওয়াশব্লকের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
দুই বছরে ২৫ টি ওয়াশব্লকের কাজ সম্পন্ন করা হলে ও৩৫ ওয়াশব্লকের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে উপজেলা জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলী অর্জিন চাকমা ওঠিকাদার সিন্ডিকেট মিলে বিল উত্তোলন করে নেয়।
ধারণা করা হচ্ছে যে,ওই প্রকল্প থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা লুট করা হয়।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে দেবিদ্দার উপজেলার ভিংলাবাড়ি দক্ষিণ, বিজলি পাঞ্জাব, হাদিরপুর, বড়শালঘর,উজানী জোড়া, ঘোষঘর, সংচাইল,চাষার পাড়, কামারচর, আশানপুর,নারায়নপুর, উনঝুটি,পদুয়া,পদ্দকোট,চন্দনগর, বাকসার, ইউসুফপুর, মহেশপুর পূর্বপাড়া, প্রজাপতি, ফতেহাবাদ, তেবারিয়া, শুভপুর, বিষ্ণুপুর, ফতেহাবাদ দক্ষিণ, বাংগুড়ি পূর্ব পাড়া, ধামতী মাদ্রাসা পাড়া, গণেশ পুর, বল্লভপুর, কাঁশারি খোলা, যুক্ত গ্রাম, অনন্তপুর,নোয়াকান্দি, ফতেহাবাদ এলাকা
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মানাধীন ওয়াশব্লকের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে বিলের ভাগবাটোয়ারা করে নেওয়া হয়। এতে করে প্রকৌশলীর অনিয়মের বিষয়গুলো নিয়ে এলাকার মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। এলাকাবাসী দুর্নীতিবাজ অর্জিন চাকমার ও ঠিকাদার ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাই
শত্রু মতে সৈকত কন্ট্রোকশনের নামে ২৪ টি,সিয়াম ট্রেডিং নামে ৩টি,রাতুল এন্টারপ্রাইজের নামে তিনটি, রুদ্র কনস্ট্রাকশনের নামে ৩টি,রানা কনস্ট্রাকশন নামে একটি ০১টি সরকার এন্ড সন্সের নামে ৩টি এফএ কনস্ট্রাকশনের নামে ৩টি ওয়াশব্লক নির্মানাদীন রেখেই বিল তুলে নেওয়া হয়।
ঠিকাদারের কোন হদিস না মেলার কারণে তাদের বক্তব্য নেওয়ার সম্ভব হয় নাই।

