অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আইন আদালত নারী ও শিশু সারাদেশ

মধুপুরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগে থানায় অভিযোগ

হাফিজুর রহমান
প্রতিনিধি( মধুপুর )টাঙ্গাইল

শনিবার (২০ শে জুন) টাঙ্গাইল মধুপুর উপজেলাধীন আউশনারা ( কালার পাহার) আউশনারা গ্রামে মোছা,হাফিজা খাতুন (২৩) একই গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে মনসুর (৪০) ফাকা বাড়িতে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা শারীরিকভাবে আক্রমণাত্মকভাবে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত করে গলার চেইন ও কানের দুল লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মধুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারী জানান,

বিবাদী ১। টাঙ্গাইল মধুপুর উপজেলাধীন আউশনারা (কালার পাহাড়) আউশনারা গ্রামে মৃত,ওমর আলী সরদার, এর ছেলে মুনসুর আলী (৪০) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি আরো জানান , আমি সহ আমার স্বামী ও সন্তান নিয়া আমার স্বামীর বাড়ীতে বসবাস করিয়া আসিতেছি।
বিবাদী মাঝেমধ্যেই দিন মুজুর কাজের জন্য আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে থাকা পানির টিউবয়েল হইতে পানি নিয়া আনারস ক্ষেতে কাজ করিয়া আসিতেছিল।
গত ইং ২০/০৬/২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ০১:০০ ঘটিকার সময় আমি আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে থাকা উত্তর দূয়ারী চারচালা টিনের ঘরের ভিতরে চৌকির উপর শুয়ে ছিলাম। এমন সময় বিবাদী আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে বা আশেপাশে কোন লোকজন না থাকার সুযোগে আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে আসিয়া উক্ত ঘরের ভিতরে প্রবেশ করিয়া ধর্ষণের উদ্দেশ্য আমাকে ঝাপটাইয়া ধরিয়া আমার সহিত ধস্তাধস্তি শুরু করে এবং আমার শরীরের স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয় ও আমার ঠোটে, বাম গালে, বুকে, পেটে কামড় মারিয়া রক্তাক্ত জখম করিয়া জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে আমি আমার স্বামীর ঘরের ভিতর হইতে বিবাদীর হাত হইতে ছুটিয়া দৌড়ে আমার স্বামীর বসত বাড়ীর পশ্চিম পাশে জনৈক আবুল এর আনারস বাগানে পৌছালে বিবাদী আমার পিছন পিছন গিয়া আবারও আমার সহিত ধস্তাধস্তি শুরু করে। তখন আমি ডাকচিৎকার করিলে বিবাদী আমাকে এলোপাথারী ভাবে কিল, ঘুষি, লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং আমার গলায় থাকা ৮ আনি ওজনের স্বর্নের চেইন যাহার অনুমান মূল্য ১,২৫,০০০/- টাকা ও কানে থাকা ৫ আনি ওজনের স্বর্নের দুল যাহার অনুমান মূল্য ৮০,০০০/- টাকা টেনে ছিড়ে নিয়া দৌড়ে পালিয়ে চলিয়া যায়। পরবর্তীতে আমার স্বামী উক্ত ঘটনার সংবাদ পাইয়া বাড়ীতে আসিয়া আমাকে উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার আমাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। পরবর্তীতে উল্লেখিত ঘটনার বিষয়ে আমার পরিবারের লোকজন সহ আত্মীয়-স্বজনের নিকট পরামর্শ করিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি।
তিনি ও এলাকাবাসী এই জঘন্যতম কাজের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

একটি মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *