নিজস্ব প্রতিবেদক : টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অফিসার সালাহউদ্দিনের কর্মকান্ডে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি , এক চোখা আচরণ, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
তার কাছে সেবা প্রার্থীদের বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যে নিয়মনীতি রয়েছে তা তোয়াক্কা না করে এক গোয়ামী মনোভাব নিয়ে অফিস পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক একজন নাগরিক জাতীয় পরিচয় পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে যে ডকুমেন্ট দেওয়া দরকার সকল ডকুমেন্ট যথাযথভাবে তার কাছে উপস্থাপন করা হলেও তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে লোকজনকে হয়রানি করতেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সেবাপ্রার্থী সাধারণ এক নাগরিক বলেন তিনি ভোটার হতে গিয়ে ১০-১৫ বার নির্বাচন অফিসে যাওয়ার পরেও টাকা না দেওয়ায় ভোটার হতে পারেননি। তিনি অভিযোগ করেন যারা টাকা দিচ্ছেন তারা দ্রুত ভোটার হচ্ছেন।অভিযোগ রয়েছে তিনি নির্দিষ্ট এজেন্ট এর মাধ্যমে ভোটার হওয়ার জন্য যে ফাইল গুলো আসে তা ঘুষ নিয়ে দ্রুত ভোটার হওয়ার ব্যবস্থা করেন। নিবার্চন কমিশনের আইন মতে সকল নাগরিক ভোটার হতে একই নিয়ম থাকলে ও টেকনাফ নিবার্চন অফিসের নিয়ম ভিন্ন চলে।
টেকনাফের এক জনপ্রতিনিধি বলেন টেকনাফ নির্বাচন অফিসে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বাতিল করা ফাইলে ৫০০০-৬০০০ হাজার টাকা করে ঘুস নিয়ে ভোটার করে দেওয়া হয়।তিনি আরও অভিযোগ করেন তিনি নিজে তার এক আত্মীয়কে ভোটার করার জন্য ফাইল নিয়ে গেলে ফেরত দেন। সকল সমস্যার সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
হোসেন আলী নামে এক ভোটারের অভিভাবক বলেন ছয় হাজার টাকা দিয়ে ভোটার করিয়েছেন। শুধু তাই নয় দর কষাকষির মাধ্যমে যাকে যেভাবে পাই সেভাবে ঘুস নিয়ে ভোটার করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়াও অনেক ভোটারকে দুর্ব্যবহার ও হুমকি দিয়ে নির্বাচন অফিসার সালাহউদ্দিন বলেন,আমি দুই তিন মাসের জন্য এসেছি যাকে ইচ্ছা সেবা দেব। আর যাকে ইচ্ছা সেবা দেব না।
অভিযোগ রয়েছে অফিস আওয়ার শেষ না করে
তিনি বাহিরে সময় কাটান।
টেকনাফ নির্বাচন অফিসে বিভিন্ন রোহিঙ্গা যারা ভোটার হয়েছেন তাদের এন আই ডি কার্ড বাতিল করার জন্য যথাযত দৃশ্যমান কোন প্রক্রিয়া নেই।
অভিযোগের বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন অফিসার সালাউদ্দিন এর কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি যথাযথ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান। যথাযথ অফিস আওয়ার মেনটেইন না করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এরকম হতে পারে বলেন।
অভিযোগের বিষয়ে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আবদুল আজিজ বলেন যথাযথ প্রমাণ পেলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

